১৫ মার্চ, ২০১৮

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাচ্ছেন? থামুন! বাঁচতে চাইলে পড়ুন


গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ – গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কম-বেশি সবারই হয়। গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণগুলো হল পেটে জ্বালা-পোড়া করা, বদহজম, বমি বমি ভাব, বমি করা, পেটে ক্ষুধা, ক্ষুধা হ্রাস পাওয়া, খাওয়ার পর উপরের পেট বেশি ভরে গিয়েছে অনুভূতি হওয়া ইত্যাদি। খাবার সময়মতো খাওয়া হয়না, বাইরের ভাজা-পোড়া বেশি খাওয়া, জাঙ্কফুড খাওয়া, পরিমাণ মতো পানি না খাওয়া ইত্যাদি কারণে গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দেখা দেয়।

পেটে জ্বালা-পোড়া করা, বুক ও গলা জ্বালাপোড়া বা পেটে গ্যাসের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে গ্যাস্ট্রিকের ধরনের ওষুধ সেবনে আমাদের কিডনিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করলেন গবেষকরা।

গবেষকরা প্রমাণ পেয়েছেন প্রোটন পাম্প ইনহিবিটরস (পিপিআইএস) জাতীয় ওষুধ দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ তৈরি করে।

নিউইয়র্কের স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অধ্যাপক প্রদীপ আরোরা ও তার গবেষক দল ৭১ হাজার ৫১৬ রোগীর পরীক্ষা করেন, যাদের মধ্যে ২৪ হাজার ১৪৯ জন দীর্ঘমেয়াদি কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত।

এসব রোগীর মধ্যে ২৫ শতাংশ পিপিআইএস জাতীয় ওষুধ সেবন করেছেন। পিপিআই জাতীয় ওষুধ ব্যবহারকারী মধ্যে ১০ শতাংশের কিডনি রোগীর ঝুঁকি বাড়ায় এবং ৭৬ শতাংশের ক্ষেত্রে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

প্রদীপ অরোরা বলেন, রোগীদের বৃহৎ একটা অংশ পিপিআইএস জাতীয় ওষুধ সেবন করেন। যারা স্বাস্থ্য সেবা দেন তাদের এই জাতীয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা উচিৎ।

একটি পানীয় যদি অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করে, তবে কেমন হয়? ভাবছেন এটি কী করে সম্ভব? এটি সম্ভব, একটি পানীয় রক্তচাপ হ্রাস করবে, ডায়াবেটিস কমিয়ে দেবে এমনকি এই একটি পানীয় শরীরে ফ্যাট পোড়াতে সাহায্য করবে! এটি দেহের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত ওজন কমাতে সহায়তা করে।


  • একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার নিন। এর সাথে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু এবং ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টের সাথে এক গ্লাস জল দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার পান করুন । 


এছাড়া গ্যাস্ট্রিকের হাত থেকে নিস্তার পেতে জেনে রাখুন কিছু ঘরোয়া উপায়…

আলুর রস

  • গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার অন্যতম ভাল উপায় হল আলুর রস। আলুর অ্যালকালাইন উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যার লক্ষণগুলো রোধ করে থাকে।
  • একটি বা দুটো আলু নিয়ে গ্রেট করে নিন। এর গ্রেট করা আলু থেকে রস বের করে নিন। এরপর আলুর রসের সাথে গরম পানি মিশিয়ে নিন। এই পানীয় দিনে ৩ বার পান করুন। প্রতি বেলায় খাবার ৩০ মিনিট আগে খেয়ে নিন আলুর রস। তবে অন্তত ২ সপ্তাহ পান করুন এই পানীয়।


আদা

  • আদাতে আছে এমন কিছু উপাদান যা গ্যাস্ট্রিক সমস্যায় জ্বালাপোড়া হলে তা রোধ করতে সাহায্য করে। আদা খেলে বমি সমস্যা, বদ হজম, গ্যাস হওয়া কমে যায়।
  • আদার রসের সাথে মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। দুপুরে ও রাতে খাওয়ার আগে এটি খেয়ে নিন।
  • আদা কুচি করে পানি দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ১০ মিনিট ডেকে রাখুন, এরপর সামান্য মধু মিশিয়ে চায়ের মতো বানিয়ে নিন। এই পানীয়টি দিনে ২/৩ বার পান করুন উপকারিতা পেতে।
  • আপনি চাইলে আস্ত আদা ধুয়ে কেটে চিবিয়েও খেতে পারেন।


দই

  • প্রতিদিন ২/৩ চামচ দই খেয়ে নিন।
  • দই আমাদের পাকস্থলীকে `এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া` থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক হওয়ার অনতম কারণ। তাছাড়া দই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  • আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে পেস্ট করে খেতে পারেন দ্রুত গ্যাস্ট্রিক সমস্যা রোধ করার জন্য।


  • একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার নিন। এর সাথে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১ টেবিল চামচ বিশুদ্ধ মধু এবং ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টের সাথে এক গ্লাস জল দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার পান করুন ।
  • মানুষের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম হল লিভার। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। কিন্তু কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। এরই ফলাফল হিসেবে লিভার ড্যামেজের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। এই অঙ্গটি নষ্ট হওয়ার পিছনে কারণগুলি দেখে নেওয়া যাক৷
  • দেরি করে ঘুমোতে যাওয়া এবং দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা দুটোই লিভার নষ্টের কারণ। এতে শারীরিক সাইকেলের সম্পূর্ণ উল্টোটা ঘটতে থাকেএবং তার মারাত্মক বাজে প্রভাব পরে লিভারের উপরে।
  • অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠেও কুড়েমি করে প্রস্রাবের বেগ হলেও বাথরুমে না গিয়ে তা চেপে শুয়েই থাকেন। এতে লিভারের উপরে চাপ পড়ে এবং লিভার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়।
  • অতিরিক্ত বেশি খাওয়াদাওয়া করা লিভারের পক্ষে ক্ষতিকর । অনেকেই আবাব বহুক্ষণ সময় না খেয়ে একবারে অনেক বেশি বেশি করে খেয়ে ফেলেন। এতে হঠাৎ করে লিভারের উপরে চাপ বেশি পরে এবং লিভার ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।
  • সকালের খাবার না খাওয়ায় লিভার পক্ষে ক্ষতিকর। যেহেতু অনেকটা সময় পেট খালি থাকার কারণে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি খাদ্যের অভাবে কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে লিভারও।
  •  অনেক বেশি ঔষধ খেলে লিভার নষ্ট হয়৷ বিশেষ করে ব্যথানাশক ঔষধের জেরে লিভারের কর্মক্ষমতার হ্রাস পায়ে। এছাড়াও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ক্ষতি হয় লিভারের। এতে করে লিভার ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়।
  • কেমিক্যাল সমৃদ্ধ যেকোনো কিছুই লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিন্তু আলসেমি ও মুখের স্বাদের জন্য আমরা অনেকেই প্রিজারভেটিভ খাবার, আর্টিফিশিয়াল ফুড কালার, আর্টিফিশিয়াল চিনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি যা লিভার নষ্টের অন্যতম কারণ।
  • খারাপ তেল ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার বা পোড়া তেলের খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া হলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে।
  • অতিরিক্ত কাঁচা খাবার খাওয়াও লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন আপনি যদি খুব বেশি কাঁচা ফলমূল বা সবজি খেতে থাকেন তাহলে তা হজমের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয় পরিপাকতন্ত্রের। এর প্রভাব পড়ে লিভারের উপরেও। সুতরাং অতিরিক্ত খাবেন না।
  • অতিরিক্ত পরিমাণে মদ্য পান করা লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অ্যালকোহলের ক্ষতিকর উপাদান সমূহ লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

৯ মার্চ, ২০১৮

গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবনে দেরীতে কথা শেখে সন্তান


গর্ভাবস্থায় জ্বর এলে কিংবা মাথা ও শরীর ব্যথা হলে এসিটামিনোফেন জাতীয় ওষুধ দেখা যায়। এসিটামিনোফেনের প্রচলিত নাম হলো প্যারাসিটামল। প্যারাসিটামলে সাময়িক উপশম হলেও তা গর্ভের সন্তানের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে ফেলতে পারে।

আমেরিকার গবেষকরা জানিয়েছেন গর্ভকালীন প্রথম তিনমাসে প্যারাসিটামল সেবন করলে গর্ভের কন্যা সন্তানের দেরীতে কথা শেখার সম্ভাবনা থাকে। যেসব মায়েরা প্যারাসিটামল সেবন করেননি তাদের তুলনায় এই ঝুঁকি ৬ গুন বেশি বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের গবেষকদের এই গবেষণাটি চালানো হয়েছে ৭৫৪ জন অন্তঃসত্ত্বা নারীর উপর। তাদের সবাই আট থেকে তের সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাদেরকে প্রশ্ন করা হয় যে তারা কতগুলো প্যারাসিটামল সেবন করেছেন। সেই সঙ্গে তাদের মূত্র পরীক্ষা করা হয় এসিটামিনোফেনের পরিমাণ দেখার জন্য।

৩০ মাসের শিশু যদি ৫০টির কম শব্দ বলতে পারে তাহলে সেটাকে কথা শেখায় বিলম্ব হিসেবে ধরে নেয়া হয়। গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে যেই নারীদের মূত্রে এসিটামিনোফেনের পরিমাণ বেশি ছিল তাদের সন্তানরা কথা শেখায় বিলম্ব করেছে। বিশেষ করে কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে এই প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

গবেষক ড. শান্না সোয়ান বলেন, ‘যেহেতু সন্তানের কথা শেখার বিলম্বের সঙ্গে এসিটামিনোফেনের সম্পর্ক পাওয়া গেছে, সেহেতু গর্ভবতী নারীদের উচিত এধরণের ওষুধ নিয়ন্ত্রিত পরিমাণে সেবন করা অথবা এড়িয়ে চলা।’ গবেষণাটি ইউরোপিয়ান সাইকিয়াট্রি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগেও গবেষণায় দেখা গেছে যে, এসিটামিনোফেন গর্ভের সন্তানের বুদ্ধিমত্তায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এমনকি গর্ভের কন্যা সন্তানের গর্ভধারণ ক্ষমতার উপরও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। প্যারাসিটামল ‘প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন ই টু’ হরমোনের উপর প্রভাব ফেলে। গর্ভের সন্তানের প্রজননতন্ত্র তৈরিতে এই হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কফি খাওয়া কেন ছাড়বেন


যাদের গিরায় গিরায় ব্যথা, মাথা ব্যথা, ঘুম কম হয় তারা কফি পান ছেড়ে দিন। কফি তে প্রচুর পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে, যা রক্তের ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।আর ইউরিক এসিড বেড়ে গেলে গিরায় গিরায় ব্যথা হয়, মেডিকেল এর ভাষায় যাকে গাউট বলা হয়।
এসব থেকে মুক্তি পেতে বেশি বেশি (দিনে ৩/৪ লিটার) পানি/তরল পান করুন। যেমন ডাবের পানি, ফলের রস, গ্রীণ টি (লাল চা নয়) ইত্যাদি। তবে মনের ভুলেও এনার্জি ড্রিংকস বা কোমল পানীয় পান করবেন না।
তবে কফি যে শুধু ক্ষতি করে তা নয়, এটা টাইপ-২ ডায়াবেটিক এবং স্ট্রোক কে প্রতিরোধ করে।
আপাত দৃষ্টি তে ভালো দেখলেও প্রকৃত দৃষ্টি তে ক্ষতিকর।

২৪ জুন, ২০১৫

স্মার্ট মানুষ হতে চাইলে বাদ দিন ১১ কথা

স্মার্টনেস মানুষের বেশভূষায় যতখানি প্রকাশিত হয় তার চেয়েও বেশি দেখা যায় আচরণে। আর এ ক্ষেত্রে কথাবার্তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এ লেখায় দেওয়া হলো ১১টি কথা, যা সব সময় এড়িয়ে চলতে হবে। স্মার্ট মানুষদের এসব বিষয় নিয়ে কখনো আলোচনা করতে দেখা যায় না। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

১. এটা উচিত নয়
সবাই জানে যে, জীবনের বহু বিষয় রয়েছে, যা কখনোই উচিত নয়। তাই এ কথা বলার অর্থ আপনি মানসিকভাবে যথাযথভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হননি।

২. এটা সব সময় এভাবেই করা হয়
অতীত থেকে চলে আসা কোনো কাজ যে সব সময় একভাবেই করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তার বদলে নতুন নতুন উপায় কাজে লাগানো ভালো।

৩. কোনো সমস্যা নেই
অনেকেই একটি কাজের জন্য অনুরোধ করলে সম্মতি জানাতে এ ধরনের কথা বলেন। যদিও এ কথাটির অর্থ দাঁড়ায় এতে সমস্যা হওয়ার মতো বিষয় রয়েছে। তাই এমন কথা এড়িয়ে চলাই ভালো।

৪. আমার মনে হয়….. / আমি একটা বোকার মতো প্রশ্ন করতে চাই…
এমন ধরনের কথার মাধ্যমে অনেকেই নিজের গ্রহণযোগ্যতা কমিয়ে ফেলেন। বাস্তবে এমন কথা এড়িয়ে চলাই ভালো।

৫. এটা মাত্র এক মিনিটের কাজ
কোনো একটি কাজে যদি এক মিনিটই লাগে তাহলে ভিন্ন বিষয়। কিন্তু বিষয়টি অনেকের কাছেই বিরক্তিকর হয়ে যায় যদি আপনি এক মিনিটের কথা বলে ১০ মিনিট সময় লাগান। এ ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য দেওয়াই কাম্য।

৬. আমি চেষ্টা করব
অনিশ্চিত একটি কথা এটি। এ কারণে কোনো কাজের ক্ষেত্রে হ্যাঁ বা না বলে দেওয়াই ভালো। চেষ্টা করার বিষয়টি অবশ্যই থাকবে। কিন্তু তা নিয়ে বাড়াবাড়ির কিছু নেই।

৭. সে আলসে/অযোগ্য
কারো সম্পর্কে অনুরূপ মন্তব্য করার আগে নিজের দিকে তাকাতে হবে। অন্যদের বিষয়ে বাজে মন্তব্য করার বদ অভ্যাস অনেকেরই থাকে। তবে এটি মোটেই ভালো ফলাফল আনে না।

৮. এটা আমার কাজ নয়
কর্মক্ষেত্রে অনেকেই কোনো কাজের অনুরোধে অনুরূপ মন্তব্য করে। এতে তারা কাজটি থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। যদিও কোনো কাজের থেকে বেঁচে যাওয়া ভালো কথা নয়। এতে কর্মক্ষেত্রে ক্ষতি ছাড়াও নানাবিধ সমস্যা হতে পারে।

৯. ওটা আমার দোষ নয়
কাজের জন্য দোষ-ত্রুটি হতেই পারে। কাজ থেকে পালানো যেমন ভালো নয় তেমন কাজের দোষ-ত্রুটি স্বীকার না করাও ভালো নয়। এতে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। অন্য কারো ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেওয়ার আগে চিন্তা করে দেখতে হবে, সে দোষটি বাস্তবে কার।

১০. আমি পারব না
সরাসরি নেতিবাচক কথা বলার পর্যায়ে পড়ে এটি। স্মার্ট মানুষরা সর্বদাই এমন কথা এড়িয়ে চলে। কারণ না বলার পেছনে সত্যিকার যদি কোনো কারণ থাকে সে কথাটি ব্যাখ্যা করা খুবই প্রয়োজন।

১১. আমি এ কাজ ঘৃণা করি
কর্মক্ষেত্রে একটি কাজকে ঘৃণা করা এবং সে কাজটিই ক্রমাগত করে যাওয়া একটি উভয় সংকটের মতো। যদি সত্যিই কাজটি ঘৃণা করেন তাহলে তা দ্রুত ত্যাগ করাই শ্রেয়। অন্যথায় এ কথা বলা বন্ধ করতে হবে।

৩০ জুলাই, ২০১৪

সম্পর্ক মধুর করে তোলার ৬টি উপায়


প্রেম করছেন? ভাল কথা৷ করুন না৷ চিন্তার কি আছে? মাঝে মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে চেনা মানুষের সঙ্গে? এটা তো যে কোন সম্পর্কের মধ্যে হয়৷ আপনি ব্যতিক্রম নন। আপনি কি চিন্তিত নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে? আপনার সঙ্গী আপনাকে যথেষ্ট সময় দেন না বলে মনে করেন? তাহলে সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে এবার জেনে নিন কিছু টিপস৷ যাতে বুঝতে পারবেন আপনাদের সম্পর্কটি পারফেক্ট কিনা।

দু’জনের মধ্যে স্বচ্ছতা আছে?
আপনার এবং আপনার সঙ্গীর সম্পর্কের মধ্যে স্বচ্ছতা আছে? মন খুলে নিজেদের ভাললাগা, খারাপ লাগার কথা দু’জনেই নিশ্চিন্তে বলতে পারেন একে অপরকে? যদি তা হয় তাহলে নিশ্চিন্তে থাকুন। সম্পর্কে স্বচ্ছতা থাকা মানে আপনারা দু’জনে সঠিক নির্বাচন করেছেন এবং এখনও ঠিকভাবেই এগোচ্ছেন।

দু’জনের মধ্যে যোগাযোগের সমস্যা?
রোজ কথা হয় একে অপরের সঙ্গে? যদি নাও হয় নিজেদের স্বাভাবিক যোগাযোগ আছে দু’জনের মধ্যে। তাহলে আর সমস্যা কোথায়? একে অপরের মধ্যে যদি স্বাভাবিক সংযোগ ও কথাবার্তা হয়, তাহলে আপনাদের মধ্যে দূরত্বের কোন কারণই নেই এবং আপনারা একদম সঠিক অবস্থানে আছেন।

দু’জনেই স্বাধীন!
সম্পর্কের ক্ষেত্রে দু’জনেরই উচিত দু’জনকে স্বাধীনতা দেওয়া। কারও উপর কারও জোর করে কিছু চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না। কারণ দু’জনেরই ব্যক্তিগত জীবনের কিছু পছন্দ-অপছন্দ আছে। তাই সম্পর্ক ‘পারফেক্ট’ থাকার জন্য দু’জনেরই দু’জনকে ছাড় দেওয়া উচিত।

সম্পর্কে কোনও শর্ত নেই
আপনাদের দু’জনের সম্পর্ক কি কোন শর্তের উপর নির্ভর করে এগোচ্ছে? যদি আপনার সঙ্গী কোন কাজ করেছেন তাই আপনিও অন্য একটি কাজ করবেন, এই ধরনের শর্ত দিয়ে সম্পর্ক এগোন। তাহলে কিন্তু সম্পর্কটা ঠিক নেই মোটেই। আরে বাবা, প্রেমের সম্পর্ক কখনও কি কোন শর্তের উপর নির্ভর করে এগোয়? আর যদি এই ধরনের কোন শর্ত আপনাদের মধ্যে না থাকে, তাহলে তো ফার্স্ট ক্লাস, এইভাবেই চলুন দু’জনে।

বিশ্বাস
সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বাস থাকা বাধ্যতামূলক। যে সম্পর্কে বিশ্বাস না থাকে সেই সম্পর্ক কোন দিনও সুখের হয় না। সম্পর্ক ‘পারফেক্ট’ হওয়ার জন্য দু’জনেরই দু’জনকে বিশ্বাস করাটা খুব জরুরি। তাই যে সম্পর্কে দু’জনের মধ্যে বিশ্বাসটা অনেক বেশি মজবুত সেটাই ‘পারফেক্ট’ সম্পর্ক।

তৃতীয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ
মাঝে মধ্যেই ঝামেলা হয় পছন্দের মানুষটার সঙ্গে। কিন্তু সেই ঝামেলার কথা কি তারপর অন্য কাউকে বলে বেরান? যদি সেটা করেন তাহলে এক্ষুনি বন্ধ করে দিন। দু’জনের ব্যক্তিগত সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ একেবারেই ঠিক লক্ষণ নয়। নিজেদের মধ্যেকার সমস্যা দু’জনে একসঙ্গে কথা বলে মিটিয়ে নিন, তার মধ্যে ‘থার্ড পার্সন’কে ঢুকতে দেওয়ার কোন দরকার নেই।

২৯ জুলাই, ২০১৪

সম্পর্কের সব একঘেয়েমি দূর করুন ৭টি উপায়ে


আপনার প্রিয়জনের সঙ্গে সম্পর্ক এক সময় একঘেয়েমিতে বিপর্যস্ত হতে পারে। কিন্তু এতে আশা হারালে চলে না। সম্পর্কের একঘেয়েমি কাটানোর কিছু উপায় আছে। এসব চর্চার মাধ্যমে বাস্তবে কিছুটা পরিবর্তন হবে এবং জীবনে ফিরে আসবে রোমাঞ্চ।

১. মনে করুন কেন তাকে ভালোবাসেন
ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা দৈনন্দিন নানা কাজে ব্যস্ত থাকা সহজ। আপনার শিক্ষা, কাজ কিংবা পারিবারিক নানা বিষয় আছে, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে আপনাকে ব্যস্ত রাখে। কিন্তু এর মাঝেও আপনি যদি প্রিয়জনকে কেন ভালোবাসেন তা মনে করেন, তাহলে নিঃসন্দেহে তা একঘেয়েমি কাটাতে সহায়ক হবে। এটা কোনো কঠিন কাজ নয়। মনের গভীরে থাকা স্মৃতিগুলো একটু ঝালিয়ে নিন আর অনুভব করুন আপনার মানসিকতার পরিবর্তন।

২. সপ্তাহে একবার ডেটিং করুন
আপনাদের সম্পর্ক যত পুরনোই হোক না কেন, একসঙ্গে সময় কাটানোর প্রয়োজনীয়তা কখনোই ফুরায় না। এ জন্য প্রতি সপ্তাহে একবার অন্তত আপনার সঙ্গীর সঙ্গে একত্রে সময় কাটানোর গুরুত্ব রয়েছে। এ সময়ে একে অন্যের প্রতি গুরুত্ব দিন। আপনাদের সম্পর্ক মাত্র ২৫ দিনের হোক কিংবা দীর্ঘ ২৫ বছরেরই হোক, একসঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্ব কখনোই কমে না।

৩. সম্পর্ক বিষয়ে একত্রে একটি বই পড়ুন
মন খোলা রেখে সম্পর্কের বিষয়ে নতুন নতুন বিষয় শেখার জন্য প্রস্তুত থাকুন। এ জন্য সবচেয়ে ভালো হয় সম্পর্কের বিষয়ে একটি ভালো বই পড়া। এতে আপনারা পরস্পরের সঙ্গে কীভাবে ভালো যোগাযোগ করতে হয়, তা শিখতে পারবেন। এতে বেশ কিছু ফলপ্রসু আলোচনা করতে পারবেন।

৪. মজা করুন
কখনো কখনো আমরা মজা করতে ভুলে যাই। আমাদের জীবন চলে শুধুই রুটিনের মতো। খুবই ভালো হয়, এতে যদি কিছু মজা ও হাসি ঢোকানো যায়। দুজনে একত্রে কিছু মজা করুন কিংবা একটা মজার সিনেমা দেখুন একসঙ্গে। আপনি এটা দেখে অবাক হবেন যে, দুজনে একসঙ্গে মজা করাটা কতো সহজ।

৫. নিজের আগ্রহের বিষয় চর্চা করুন
অনেকেরই কোনো সম্পর্কে জড়িত হওয়ার ফলে নিজের বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ মিলে না। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এটি বেশি হয়। তবে শুধু একটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে থাকলে সেখানে যোগ হতে পারে হতাশার মতো বিষয়। এ কারণে শুধু সঙ্গীর দিকে মনোযোগ না দিয়ে নিজের দিকেও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। আপনার নিজের আগ্রহ, শখ ইত্যাদির চর্চাও চালিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন আছে।

৬. নিজের দিকে মনোযোগ দিন
আপনার সঙ্গী কি করবে সে বিষয়ে আপনার আগ্রহ বাদ দিয়ে নিজের দিকে আগ্রহ সরিয়ে আনুন। আপনি তার জন্য কী করতে পারছেন, কী করলে তিনি সুখী হচ্ছেন ও আপনাকে বেশি করে ভালোবাসছেন, তা লক্ষ্য করুন। এতে দুজনের সম্পর্কে নতুন মাত্রা তৈরি হবে।

৭. আগ্রহী হোন, পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রাখুন
কখনো আমরা কোনো কারণ ছাড়াই চিন্তিত হয়ে পড়ি। ছোট কোনো ঘটনাই আমাদের বিচলিত করে দেয়। যদিও দেখা যায়, এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এ জন্য মূলত দায়ী সম্পর্ক চক্র। প্রত্যেক সম্পর্কতেই উত্থান-পতনের একটি চক্র থাকে। এ চক্র অনুযায়ী কখনো সময় ভালে যাবে, কখনো খারাপ। এতে বিচলিত হওয়ার মতো কোনো বিষয় নেই। এ সময় প্রয়োজন পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা।

জীবনে বড় বড় সফলতার জন্য ছোট ছোট ২০টি টিপস



  1. দিনের পর দিন একটু একটু করে আগের চেয়ে বেশি দয়ালু এবং জ্ঞানী হওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যান।
  2. আপনি এবং আপনার পরিবারকে আগের চেয়ে একটু বেশি অর্থ সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তুলুন এবং গড়ে তুলতে উৎসাহীত করুন।
  3. ভুলবোঝাবুঝি থেকে রেহাই পেতে মাঝে মধ্যে মহান হওয়ার চেয়ে সব সময়ের জন্য ভালো মন-মানসিকতা নিয়ে চলার চেষ্টা করুন।
  4. প্রচুর পড়ুন। কোনো কিছুই খুব দ্রুত আপনাকে জ্ঞানী করে তোলে না।
  5. যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ব যতো এগিয়ে যাবে, আপনার খ্যাতি ততো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কেউ না দেখলেও সব সময় সোজা পথে কাজটি করুন।
  6. মনে রাখবেন, আপনি যা করার জন্য অর্থ দেবেন মানুষ তাই করবে। যা করতে বলবেন তা করবে না।
  7. নিজের সম্পর্কে আগের চেয়ে ভালো বোধ করলে যেমন ভালো লাগে, আগের চেয়ে আরেকটু বেশি বিনয়ী হলে তেমনই ভালো লাগবে।
  8. আপনার যেকোনো প্রশ্নের জবাব কারো না কারো জানা রয়েছে। ওই মানুষগুলোকে খুঁজুন।
  9. প্রতিদিনের অসাধ্য চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড়ানো মানেই আপনার অহংবোধ ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ। তবে এতে সামান্য মনযোগ ঢালুন। কারণ অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে তাতে নিজের সামর্থ্য কমে যাবে।
  10. প্রযুক্তি মাঝে মাঝে আপনার কষ্টের কারণ হয়ে উঠবে। অন্য সময় আবার এটি সাহায্য করবে। তবে বর্তমান সময়ে কী ঘটবে সে সম্পর্কে সজাগ থাকুন।
  11. যে জিনিসগুলো আর বেশিদিন কাজে লাগেব না তার প্রতি মায়া ত্যাগ করুন। এতে অন্যের সাহায্য হবে এবং এতে আপনারও ভালো লাগবে।
  12. কাউকে অপছন্দ করে মানে এই নয় যে ওই মানুষটি ভালো নয় বা ভুল পথে চলেন।
  13. নিজের চিন্তাশীলতার বিষয়ে ধ্যান দিন। কারণ আপনার চিন্তাই শব্দ হয়ে বের হবে এবং তা এক সময় আপনার কাজ হয়ে প্রতিষ্ঠিত হবে।
  14. কাউকে অন্তত তিনবার সাহায্য না করা পর্যন্ত তার কাছে থেকে কোনো সাহায্য চাইবেন না।
  15. জীবনে যা আশীর্বাদ পেয়েছেন তা নিয়ে হিসেব করবেন না।
  16. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতার শর্ত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া।
  17. যতো সহজ-সরলই হোক না কেন, বুদ্ধিটা সিরিয়াসলি নিন।
  18. নিজের শক্তি ও সামর্থ্যের একচোট বিকাশ ঘটানোর পর সেখানেই একটু স্থিত হোন।
  19. যে মানুষগুলো চিন্তা করেন না তারা কিছু শোনেনও না।
  20. আপনার আরো অর্থের প্রয়োজন নেই। আপনার অর্থপূর্ণ কিছু আরো প্রয়োজন।