২০ এপ্রিল, ২০১৩

কলার খোসা, ২ মিনিটে দাঁত সাদা

অতীতকালে মানুষের দাঁত থাকতো হলদেটে আর দাগে ভরা? মোটেই না। মানুষের কাছে তখন ছিল হরেক রকম ঘরোয়া টিপস। আর তেমনই একটা হচ্ছে কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করা।
ভাবছেন এও কি সম্ভব? কিংবা ভাবছেন - "যাহ, সব ভুয়া"... তাই না? কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে আপনার দাঁত সাদা করতে সক্ষম। সুতরাং ভুলে যান দাঁতের ডাক্তারের কাছে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করার ভাবনা, আর ঘরে বসেই নিজের দাঁত গুলোকে রাখুন ঝকঝকে। তবে হ্যাঁ, কাজটা করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে। 
কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান। বিশেষ করে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজ। আর এরাই হচ্ছে দাঁতকে সাদা করে তুলবার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি, যারা কিনা দাঁতকে মজবুত করে তোলার পাশাপাশি খনিজ উপাদান গুলো শোষণ করতেও সহায়তা করে। কলার খোসা নিঃসন্দেহে সাদা করে তুলবে আপনার দাঁত, তবে ব্যবহার করতে হবে সঠিক পদ্ধতিতে।

জেনে নিন বিস্তারিত পদ্ধতিঃ
  1. প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিক ভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরী। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যারা কিনা এখন নিচের দিকে একটু একটু সবুজ। কেননা এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চ মাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে।
  2. কলা উলটো করে ছিলে নিন। হ্যাঁ, যেভাবে আপনি ছিলে থাকেন কলা ঠিক তার উলটো দিক থেকে ছিলে নিন। দেখবেন যে কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিলে নিয়ে এই আঁশ গুলো থাকবে খোসার সাথেই।  
  3. খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। আপনার সুবিধা মতন আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন।
  4. এবার সকালে দাঁত ব্রাশ করবার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে আপনার দাঁত খুব ভাল করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। অর্থাৎ পুরো দুই মিনিট দাঁতকে ঘষুন। দাঁতের প্রত্যেকটি অংশে যেন পৌছায় এমন ভাবে ঘষতে হবে। 
  5. দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট করতে পারলে ভালো। এই সময়ে পানি বা অন্য কিছু খাবেন না, কিংবা কুলি করবেন না। সময়টা পেরিয়ে গেলে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন।

এবার আয়নায় তাকিয়ে দেখুন তো, লাগছে না দাঁত একটু বেশি পরিষ্কার? ৪/৫ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। যারা ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে এই পদ্ধতি। তবে ব্যবহার করতে হবে বেশ দীর্ঘদিন। এবং সঠিক নিয়েম মেনে। 

মনে রাখতে হবে যে:
  • এটা কোনও ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে।
  • অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে। এই সময়টা জরুরি। বেশি ঘষলে আরও ভালো।
  • ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার। 
  • যাদের দাঁত মদ্যপান, ধূমপান বা অসুস্থতার কারণে হলুদ তাদের ক্ষেত্রে একটু সময় লাগবে।
  • কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না।
  • যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন। 

১৯ এপ্রিল, ২০১৩

খাওয়া দাওয়ার ১২ নিয়ম : মানলে ভালো


 
  1. দুপুরে পেট ভরে ভাত খাওয়াটা ঠিক নয়। সকালে ভারী খাবার খেতে হবে। কেননা, এর পরে আমরা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। দুপুরের দিকে হালকা খাবার খেতে হবে। আর রাতের বেলায় মাঝামাঝি খাবার খেতে হবে। রাতের বেলায় সাধারণত ঘুমানোর দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে খাবার খেতে হবে।
  2. আমরা অনেক সময় ব্যায়াম করার ঠিক আগে খাই বা খেয়ে উঠেই হাঁটাহাঁটি শুরু করি। কিন্তু যেকোনো বেলায়ই খাবার খাওয়ার পরপরই হাঁটা ঠিক নয়।
  3. খাবার খেতে খেতে বেশি পানি খেলে হজমে সমস্যা হয়। খাওয়ার মাঝে বেশি পানি খেলে ঠিকমতো খাবার হজম হয় না।
  4. প্রচলিত আছে যে শরীরে কাটা-ছেঁড়ার পর টক খাওয়া যাবে না। টক খেলে ক্ষত বাড়বে, সেটা ঠিক নয়। বরং এ সময়ে ভিটামিন সি খাওয়ার প্রয়োজনটা পড়ে বেশি, তাই এ সময়ে টক খাওয়াটা ক্ষতিকর নয়।
  5. ফল খাওয়ার পরে পানি খাওয়া উচিত নয়। এ কথাটা ঠিক। কারণ, ফল খাওয়ার পর এটা হজম হতে সময় লাগে। আর হজমে যেন অসুবিধা না হয়, সে জন্য যেকোনো ফল খাওয়ার পর পানি না খাওয়াটা ভালো।
  6. সকালের খাবারের পরই চা পান করা ঠিক নয়। ভরপেট সকালের নাশতা খাওয়ার পরে চা খেলে কিডনিতে সমস্যা হয়। নাশতা খাবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর চা পান করা উচিত।
  7. চিংড়ি মাছ খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে মনে করা হয়। সে জন্য অনেকে বাচ্চাদেরও চিংড়ি মাছ খেতে দেন না। কিন্তু বাচ্চাদের জন্য চিংড়ি মাছটা খাওয়া দরকার। আর বড়দের, যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক আছে, তাদের চিংড়ি মাছ খেলে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু সমস্যা হয় কোলেস্টেরলের মাত্রা যাদের বেশি, তাদের।
  8. ডায়েট করা মানেই অনেকেই মনে করেন ভারী খাবার কিংবা ফাস্টফুড একদম খাওয়া যাবে না। এটা ঠিক নয়। ভারী খাবার বা ফাস্টফুডে যেহেতু ক্যালরি বেশি থাকে, তাই এসব খাওয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যে অন্য কোনো ক্যালরি বেশি খাবার খাওয়া যাবে না। তবে সালাদ, ফল—এগুলো খাওয়া যাবে।
  9. ভারী খাবার খেয়ে অনেকে শুয়ে থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু এটা কখনো ঠিক নয়। ভারী খাবার খেয়ে কখনো শুয়ে-বসে কাটানো যাবে না। বরং হাঁটাচলা করতে হবে।
  10. স্ন্যাকস-জাতীয় খাবার খাওয়ার পর মূল খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে।
  11. রাতে সাধারণত শাক কিংবা করলা খেতে নিষেধ করা হয়। এটা ঠিক নয়। রাতে ঘুমানোর দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে হাঁটাচলা করলে শাক বা করলা হজম হতে সমস্যা হয় না।
  12. ঘুমানোর আগে আমরা অনেকে ইসবগুলের ভুসি খেয়ে থাকি। ইসুবগুলের ভুসি রাতের খাবারের পরে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে ফেলতে হবে।

১৮ এপ্রিল, ২০১৩

পায়ের যত্ন


প্রখর রোদ, ঘাম এবং ধুলোবালিতে ত্বকের অবস্থা নাজুক। এসময়ে মুখের মতো পায়ের ত্বকও বাড়তি যত্ন চায়। জানিয়ে দিচ্ছি গরমে পায়ের যত্নের সাত-সতেরো।

গরমে পা ঘামে তাই পায়ের ত্বক ভাল রাখার সব থেকে ভাল উপায় বারবার পা ধোয়া। স্ক্র্যাবার কোমল সাবান দিয়ে নিয়মিত পা পরিষ্কার করুন। খোলামেলা জুতা পরুন।

প্রতিদিন বাড়ি ফিরে হালকা গরম পানিতে একচিমটি লবন দিয়ে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে পায়ের চামড়া মসৃণ থাকবে এবং রক্ত চলাচলও ভাল হবে।

পায়ের দুর্গন্ধ দুর করতে বিশেষ ফুট মাস্ক: ৬ চা-চামচ নারকেলের দুধের সঙ্গে ১চা-চামচ লবঙ্গগুড়ো, ১চা-চামচ আদাবাটা, ৫/৬ ফোটা ল্যাভেন্ডার অয়েল এবং একমুঠো গোলাপের পাপড়ি কিংবা গোলাপ জল মিশিয়ে পায়ে লাগান।

গরমে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পরে পা দুটোকে একটু স্বস্তি দিতে পাতিলেবুর রস দেওয়া বরফপানিতে দুটো পেপার টাওয়েল পায়ে জড়িয়ে রাখুন। দেখবেন আরামের সঙ্গে সঙ্গে ঘামের দুর্গন্ধও দূর হবে।

গরমে এক নজরে:
  • যখনই বেরোবেন সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না।
  • প্রচুর পানি পান করুন। এতে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকে।
  • সুতি পোশাক ব্যবহার করুন।
  • রোদে বেরুলেই সানগ্লাস, সানস্ক্রিন ও ছাতা ব্যবহার করুন।
  • অয়েল ফ্রি ক্রিম ব্যবহার করুন।

মুখে কালো ছোপ দাগ

 
  • ২ চামচ বেসন,১ চিমটে হলুদ গুড়া,১ চামচ চন্দন গুড়া এবং ১ চামচ কমলার খোসাবাটা একসঙ্গে মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করুন।এবার এটা মুখে,ঘাড়ে লাগিয়ে রেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফালুন।
  • একটি ছোট আকারের আপেল কেটে এটা মুখে,ঘাড়ে,গলায় লাগিয়ে ৪ মিনিট পর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার।
  • আপেল ও কমলার খোসা এক সাথে বেটে এর সংগে কাঁচা দুধ,ডিমের সাদা অংশ ও কমলা রস মেশান।এবার মিশ্রনটা ত্বকে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন।
 
 
 
 
 

ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য ১০টি খাবার!

  1. তরমুজ: ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং চোখের নিচে কালো দাগ দূর করে।
  2. আনারস: ত্বকের ছোপছোপ দাগ দূর করে।
  3. চকলেট: এর কোকোতে থাকা পলিফেনল ত্বকের ক্ষত ও দাগ দূর করে।
  4. গরম মশলা: ত্বকের সুরক্ষা প্রাচীর তৈরি করে।
  5. আঙ্গুর: এর এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকে ফ্রি রেডিক্যাল থেকে মুক্ত রাখে।
  6. ব্রোকলি: এর ভিটামিন-কে চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে।
  7. সূর্যমুখী তেল: এর লিনোলেইক এসিড আর্দ্রতা ধরে রাখে।
  8. পেস্তা বাদাম: শুষ্ক ত্বকে এর ভিটামিন-ই আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে।
  9. দুধ: এর ভিটামিন-ডি ত্বকের মসৃণতা বাড়ায় এবং বলিরেখা দূর করে।
  10. গাজর: যাদের তৈলাক্ত ত্বক গাজরের ভিটামিন-এ তাদের ত্বকে তেল উৎপাদন কমিয়ে দেয়।

১৭ এপ্রিল, ২০১৩

গর্ভাবস্থায়ও সুন্দর ত্বক


মা, পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ। আর মা হওয়ার মাধ্যমেই একজন নারীর নারী জীবন পূর্ণতা পায়। মাতৃত্বের আনন্দ সীমাহীন। তবে মা হওয়ার অনুভূতি পেতে গর্ভাবস্থার সময়গুলো পার করা সত্যিই কঠিন।

গর্ভবতী মায়ের বেশিরভাগ সময়ই শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন হতে থাকে। শারীরিক এবং মানসিকভাবে পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকেও দেখা দেয় অনেক সমস্যা। আর অসুস্থ থাকার ফলে অনেকেই ঠিকমত ত্বকের যত্ন নেন না।
গর্ভাবস্থায় মুখের ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়, ফলে মুখে ব্রণ হয়, ত্বকে টান পড়ায় পেট, পায়ের অনেক অংশ ফেটে যায়। মুখে গলায় ও ঘাড়ে কালো দাগ হতে পারে। তাই এ সময় প্রয়োজন হয় বিশেষ যত্ন।

যেহেতু শরীরে নানা ধরনের সমস্যা হয় আর চেহারায়ও তার ছাপ পড়ে, এজন্য গর্ভাবস্থায় থাকতে হবে সব সময় পরিপাটি, একটু গোছালোভাবে এবং অবশ্যই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। আরও যা করতে হবে:
  • ত্বক পরিস্কার রাখতে প্রতিদিন ক্লিনজার ব্যবহার করুন
  • স্ক্রাবার দিয়েও নিয়মিতভাবে ত্বক পরিস্কার করুন
  • ত্বক মসৃণ রাখতে ময়শ্চারাইজার ক্রিম লাগান
  • পানি শরীরের দূষিত পদার্থকে বাইরে বের করে দেয়, ত্বককে পরিস্কার রাখতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন
  • এ সময় ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়, তাই বাইরে গেলে অথবা রান্না করার সময় সানস্কিন লোশন ব্যবহার করুন
  • গর্ভধারণের প্রথম থেকেই নিয়মিত অলিভ ওয়েল ব্যবহার করুন।
  • শরীর এবং মন ভাল রাখতে বাইরে ঘুরতে যান।
  • হালকা কিছু ব্যায়াম করুন
  • নিয়মিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মত চলতে হবে।
মনে রাখতে হবে, গর্ভকালীন সময়ের ত্বকের এই সমস্যাগুলো কিন্তু কোনো অসুখ নয়। বাচ্চা হওয়ার পর এগুলো এমনিতেই ঠিক হয়ে যায়।
সব সময় হাসিখুশি থাকুন। পরিবারের সবার সঙ্গে ভাল সময় কাটান। সুন্দর থেকে গর্ভকালীন সময়টি উপভোগ করুন।

ব্যায়ামের সঠিক সময়

আমরা আগের তুলনায় নিজেদের স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং সুন্দর ফিগারের বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন। আমরা জানি সু-স্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করার কোনো বিকল্প নেই। তবে ব্যস্ততা আমাদের জীবনে এভাবে জড়িয়ে রয়েছে যে মাত্র একঘণ্টা সময় খুঁজে বের করাও কঠিন।

সকালে অফিসের জন্য অনেকেই ব্যায়াম করার সুযোগ পাই না। অফিস থেকে ফিরতে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত। বাড়ি ফিরে আবার কত কাজ...ব্যায়াম করার সময় নেই। জানি এইতো বলবেন, কিন্তু সুস্থ থাকতে হলে কিছুটা সময় বের করতেই হবে।

কীভাবে? জেনে নিন:


সকালঃ
অনেকে ঘুম থেকে উঠে বিছানায় বসেই ব্যায়াম শুরু করেন। তবে এসময় ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো। কারণ এক্সারসাইজের জন্য শরীরে যথেষ্ট পরিমানে এনার্জি থাকা প্রয়োজন
  • সময়ের অভাব থাকলে ঘুম থেকে ওঠার আধ ঘণ্টা পর হালকা জগিং বা মর্নিং ওয়ার্ক করুন
  • ঘুম থেকে ওঠার পর ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে কয়েক ঘণ্টা পর ব্যায়াম করুন
  • মনে রাখবেন কখনোই খালি পেটে ব্যায়াম করা যাবে না
বিকেলঃ
ব্যায়াম করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হচ্ছে দুপুরের পর বিকেলে। মানে ঘুম থেকে ওঠার ৬ ঘণ্টা পর এবং ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  • যাদের ভারী এক্সারসাইজের পরিকল্পনা রয়েছে তারা দিনের বেলার যেকোনো একটি সময় বেছে নিন
  • লাঞ্চ করার পর বসে না থেকে হালকা হাঁটুন।
সন্ধ্যাঃ
  • বাড়ি ফেরার পথে কিছুটা পথ হেঁটেই আসুন।
  • হাঁটার সময় খেয়াল রাখবেন যেন ১০ মিনিটে ১ কিলোমিটার পথ যেতে পারেন
  • সন্ধ্যা বেলা এক্সারসাইজ করতে পারেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে অবশ্যই এক্সারসাইজ করার আগে রিল্যাক্স করুন। যাতে এক্সারসাইজ করার সময় ক্লান্ত ভাব না থাকে।
  • যোগব্যায়াম করার জন্য সন্ধ্যা সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
  • এসময় আপনি ট্রেডমিল বা সাইক্লিংও করতে পারেন
শারীরিক ক্ষমতা ও বয়স অনুযায়ী ব্যায়াম করবেন,  ব্যাক পেইন বা শ্বাসকষ্ট থাকলে সব ধরনের ব্যায়াম করতে পারবেন না। তাই ব্যায়াম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো খাবার এবং জীবন যাপনের সঠিক পদ্ধতিগুলোও মেনে চলুন।

গরমে শিশুর যত্ন


তীব্র গরমে জীবন অতিষ্ট। এই গরমে ছেলে বুড়ো সবার অবস্থাই খারাপ। যদিও একটু আধটু বৃষ্টি হয়, তবে গরম কমেনি। এসময়ে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে আমাদের পরিবারের ছোট্ট সোনামণিরা। গরমে ঘেমে শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে যায়। শরীরে অনেক সময় র‌্যাশ বের হয়, ঘামাচি হয়। শিশুদের কিছু অসুস্থতার সাথে তাদের মেজাজও খিটটিটে হয়ে যায়। গরমে শিশুদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন।

জেনে নিন সোনামণিকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজনীয় কিছু পরামর্শ:

  • শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন
  • নিয়মিত সাবান দিয়ে গোসল করান
  • গোসলের পর শিশুর শরীর ভালো করে মুছে পাউডার দিন
  • শিশু ঘামাচির উপদ্রব থেকে মুক্তি পাবে
  • গরমে শিশুর খাবার নির্বাচনে সচেতন হতে হবে। শিশুকে পুষ্টিকর এবং শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে এমন খাবার দিতে হবে
  • অন্যান্য খাবারের সঙ্গে গরমে শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও ফলের জুস খাওয়ান
  • দুঃসহ গরমে শিশুর দুর্বলতা কাটাতে মাঝে মাঝে খাওয়ার স্যালাইন খেতে দিন
  • সুতি পাতলা কাপড়ের নরম পোশাক পরান
  • বাইরের গরমে শিশুকে যতোটা সম্ভব কম বের করুন
  • তাকে ধুলাবালি থেকে দূরে রাখুন
  • শিশু ঘেমে গেলে তার ঘাম মুছে দিতে হবে
  • শরীরে ঘাম শুকিয়ে গেলে শিশুর ঠাণ্ডা লেগে জ্বর হতে পারে
  • অনেক সময় জ্বর অল্পদিনে এমনিতেই সেরে যায়
  • কিন্তু বেশি দিন গড়ালে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো ব্যবস্থা নিন
  • গরমের সময় শিশুর চুল ছোট করে ছেঁটে রাখুন
  • বড় চুল শুকাতে সময় লাগে, আর ঘামও বেশি হয়
  • শিশুর যেন পর্যাপ্ত ঘুম হয় সেদিকেও লক্ষ রাখতে হবে
  • ঘরে ফ্যান বা এসির তাপমাত্রা শিশু যতটায় স্বস্তিবোধ করে অতটুকুই রাখুন।
  • শিশুর যত্ন নিন। শিশুর অসুস্থতার দুঃচিন্তামুক্ত থাকুন।

১৬ এপ্রিল, ২০১৩

শুদ্ধতার জন্য

  • বাচ্চাদের শেখাবেন তারা যেন সকালে উঠে যার যার বালিশ, চাদর ইত্যাদি আলমারিতে তুলে রাখে। 
  • ঝাঁরপোছ, ঝুলঝাড়ু দিয়ে ঘর পরিষ্কার করুন রোজ । টেবিল, চেয়ার, সোফায় জমা ধূলো ঝেড়ে ফেলুন। 
  • রোজকার বাড়িতে পরার কাপড় আলাদা রাখুন। ইস্ত্রি করা জামাকাপড় আলাদা রাখুন। ইস্ত্রি হয়ে গেলে ঠিক জায়গায় তুলে রাখুন। 
  • আচার, লবণ প্রভৃতি টেবিলে আলাদা আলাদা জারে রাখুন। 
  • গোসল করার এবং কাপড় ধোয়ার সাবানের টুকরা একসঙ্গে করে পানির মধ্যে ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি একটি প্লাস্টিকের বোতলে ঢেলে রাখুন। 
  • কুকারে মাঝে মাঝে লেবুর একটা টুকরা ফেলে পানি দিয়ে ফুটাতে থাকুন এতে কুকারের চমক ফিরে আসবে। 
  • মশলা, চিনি, চা পাতার কৌটা ব্যবহারের পর অল্প ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে রাখুন। 
  • ময়লার বালতিতে প্রথমে একটি পলিথিন ব্যাগ রাখুন। তার মধ্যে ময়লা ফেলুন। ঢাকনা যুক্ত বালতি হলেই ভাল, তাতে দুর্গন্ধ ছড়াবে না। 
  • সর্বদা ফ্রিজে বোতল মুছে তবে রাখবেন। 
  • ডাস্টিং এর জন্য ফ্লানেলের কাপড় ব্যবহার করুন। 
  • চাদর, বালিশের কাভার, সোফা কাভার সপ্তাহে একবার অবশ্যই বদলাবেন। প্রত্যেক সপ্তাহে অথবা পনেরো দিন অন্তর ঘরের পাখা পরিষ্কার করবেন। 
  • মোজাইক করা মেঝে মোছার সময় পানিতে কয়েক ফোঁটা কেরোসিন তেল ঢেলে মুছলে মেঝে চকচক করবে। 
  • মেঝেতে টাইলস থাকলে অল্প ব্লিচিং পাউডার দিয়ে নাইলন ব্রাশ দিয়ে রগড়ালে মেঝে পরিষ্কার হবে। এবার গরম পানি ঢেলে শুকনো করে মুছে নিতে হবে।

ঝলমলে চুল পেতে


সুন্দর চুল সবার ভালো লাগে। কিন্তু অযত্ন আর অবহেলায় চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়। হয়ে যায় প্রাণহীন ও রুক্ষ, যার প্রভাব পড়ে আপনার চেহারায়। নিজের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়া উচিত।

চুল ভালো রাখার প্রধান উপায় হলো_ চুল পরিষ্কার রাখা। কোনোভাবেই চুল ময়লাযুক্ত করে রাখা যাবে না। তা হলে চুল পড়া, খুশকিসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেবে। ঝলমলে চুল সবার ভালো লাগে। কিন্তু অযত্ন আর অবহেলায় চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়। হয়ে যায় প্রাণহীন ও রুক্ষ, যার প্রভাব পড়ে আপনার চেহারায়। নিজের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়া উচিত।

প্রতিদিন শ্যাম্পু করা নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। কেউ কেউ ভাবেন, এতে চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। এটি ঠিক নয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলে ময়লা জমতে পারবে না। ফলে চুল নিয়ে বেশিরভাগ সমস্যাই কমে যাবে। কিন্তু শ্যাম্পু করতে হবে সঠিক নিয়মে। প্রথমে শ্যাম্পু ছোট কোনো বাটিতে ঢেলে নিন। সঙ্গে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দেয়ার মতো করে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগাতে হবে। ব্যস্ততা থাকলে পানিমিশ্রিত শ্যাম্পু পেছনের চুল থেকে সামনের চুলে লাগান। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, খুব সামান্য পরিমাণ শ্যাম্পুও যেন চুলে লেগে না থাকে।

এবার আসা যাক বাড়তি যত্নে। কন্ডিশনার চুলকে মসৃণ করে, তবে কখনো মাথার ত্বকে কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে চুলে খুশকি হয়। আর তৈলাক্ত চুলে সপ্তাহে দুদিন কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ও মিশ্র চুলে নিয়মিত লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। ভালোভাবে চুল মুছে নিন। এরপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে হবে। দিনে কয়েকবার চুল আঁচড়াতে উচিত। এতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকভাবে হয়। মনে রাখতে হবে, কোনো অবস্থাতেই ভেজা চুল বাঁধা যাবে না। তাতে চুলে গন্ধ হবে এবং জট বাঁধবে।

এছাড়া চুলকে আকর্ষণীয় করতে চাইলে আরো পরিচর্যা করতে হবে। ১৫ দিন অন্তর হলেও তেল দেয়া প্রয়োজন। তেল সামান্য গরম করে চুলে মালিশের মতো করে লাগাতে হবে। এরপর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মাথায় চেপে রাখুন ১৫ মিনিট। ঘরে বসেই হয়ে গেল হেয়ার স্টিম নেয়া। আপনি চাইলে বিভিন্ন বিউটি পার্লারে গিয়ে হেয়ার স্পা করাতে পারেন মাসে একবার। এছাড়া বাড়িতেও লাগাতে পারেন নানা ধরনের চুলের প্যাক। মৌসুমি যে কোনো ফল কিংবা কলা, আপেল, পেঁপে, টক দই মিশিয়ে প্যাকল তৈরি করা যেতে পারে। তবে তৈলাক্ত চুলে কলা না দেয়াই ভালো। মেহেদি, রিঠা, আমলকীর প্যাক চুলে ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, এসব প্যাক আপনার চুলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া করছে কিনা। আগে বুঝে নিতে হবে চুলের ধরন। সে অনুযায়ী চুলের প্রসাধন ব্যবহার করবেন। আর রোদ ও ধুলো থেকে যত দূরে থাকা যায়, ততই ভালো। সম্ভব হলে তখন চুল ঢেকে রাখবেন।

৯ এপ্রিল, ২০১৩

ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার কিছু টিপস

  •  প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য মসুর ডালের বেসন, মধু ও সামান্য তিলের তেলের মিশ্রণ বেশ উপযোগী। রোদে পোড়া ভাবও দূর হবে।
  • মধু, কাঁচা হলুদ, দুধ ও তিলের তেল চুলায় অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। আঠালো হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে প্রতিদিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
  • বেসন-দই, লেবুর প্যাক: ২ চামচ আটা, মসুরির ডাল বাটা অথবা বেসন নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মেশান৷ এবার ওর মধ্যে দই মিশিয়ে প্যাকটাকে গাঢ় করে নিন৷ মুখে, ঘাড়ে ভালো করে ঐ প্যাকটা লাগান৷ ২০ মিনিট রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন৷ এতে ত্বকের চমক বাড়বে৷
  • ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে বাইরে থেকে ফিরে মুখে, গলায় ও হাতে টমেটোর রস লাগান। শুকিয়ে গেলে আরো একবার লাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগ থাকবে না।
  • পাতিলেবুর রস, নিমপাতার রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে মুছে নিন।
  • দই এবং ময়দা মিশিয়ে মাখলেও ত্বকের কালো ছোপ তুলতে সাহায্য করে
  • কলা পেস্ট করে মধু মিশিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৫ এপ্রিল, ২০১৩

চুলের আগা ফাটা রোধ করতে করণীয়:

শুধু মেয়েদের জন্য -
  • প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন হেয়ার ড্রায়ারের (৬ ইঞ্চি দূর থেকে) ঠাণ্ডা বাতাস ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন অথবা যদি সম্ভব হয় হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।
  • প্রতি ছয় সপ্তাহে একবার চুলের আগা ছেঁটে ফেলবেন।
  • চুল অতিরিক্ত আঁচড়ানো যাবে না। তাতে আগা ফেটে যাওয়ার প্রবনতা বেড়ে যায়।
  • চুলে হিট (হেয়ার ড্রয়ার) ব্যবহার না করাই উত্তম। 
  • বারি দিয়ে বা ঝরা মেরে চুল শুকাবেন না।
  • চুলের খাবার হচ্ছে প্রোটিন। তাই প্রয়োজন ডিম, মাছ, মাংস, দুধ বা ডাল।
  • কখনো কখনো কিছু মিনারেল প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিদিন ১টি করে মিনারেল সমৃদ্ধ ভিটামিন, যেমন ক্যাপসুল সুপারভিট এম ২-৩ মাস খেলে উপকার পেতে পারেন।

২ এপ্রিল, ২০১৩

১০টি শারীরিক কৌশল




  1. অনেক সময় গলার ভেতরে এমন জায়গায় হঠাৎ চুলকানী শুরু হয় যে, কি করবেন দিশেহারা হয়ে পড়েন। ওই জায়গাটি চুলকে নেওয়ার কোন উপায়ও থাকে না। কিছু সময় কানে টান দিয়ে ধরে রাখুন দেখবেন চুলাকনী উধাও। 
  2. অনেক শব্দের মধ্যে বা ফোনে কথা স্পষ্ট শুনতে পারছেন না? কথা শোনার জন্য ডান কান ব্যবহার করুন। দ্রুত কথা শোনার জন্য ডান কান খুব ভাল কাজ করে এবং গান শোনার জন্য বামকাজ উত্তম।
  3. বড় কাজটি সারবেন, কিন্তু আশে পাশে টয়লেট নেই? আপনার ভালবাসার মানুষের কথা ভাবুন। মস্তিষ্ক আপনাকে চাপ ধরে রাখতে সাহায্য করবে। 
  4. পরের বার ডাক্তার যখন আপনার শরীরে সুঁই ফুটাবে তখন একটি কাঁশি দিন। ব্যথা কম লাগবে। 
  5. বন্ধ নাক পরিষ্কার বা সাইনাসেরচাপ থেকে মুক্তি পেতে মুখের ভেতরের তালুতে জিহ্বা চেপে ধরুন। এরপর দুই ভ্রুর মাঝখানে ২০ সেকেন্ড চেপে ধরুন। এভাবে কয়েক বার করুন, দেখুন কি হয়!
  6. রাতে অনেক খেয়ে ফেলেছেন এবং খাবার গলা দিয়ে উঠে যাচ্ছে। কিন্তু ঘুমাতেও হবে। বাম কাত হয়ে শুয়ে পড়ুন। অস্বস্তি দূর হবে।
  7. কোন কিছুর ভয়ে বিচলিত? বুক ধক ধক করছে? বুড়ো আঙ্গুল নাড়তে থাকুন এবং নাক দিয়ে পেট ভারে সজোরে শ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ছাড়ুন। স্বাভাবিক হয়ে যাবেন।
  8. দাঁত ব্যথা? এক টুকরো বরফ হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনীর মাঝামাঝি জায়গার উপর তালুতে ঘষুন। দেখুনতো ব্যথা কমলো কিনা!
  9. কোন কারণে চোখের সামনে পুরো পৃথিবী ঘুরছে? কোন শক্ত জায়গা বা জিনিসে কান সহ মাথা চেপে ধরুন। পৃথিবী ঘোরা বন্ধ করে দেবে।
  10. নাক ফেটে রক্ত পড়ছে? একটুখানি তুলা নাকের নিচ বরাবর যে দাঁত আছে তার মাড়ির পেছনে বসান, এবার জোরে ওখানে তুলাটি চেপে ধরুন। রক্তপাত বন্ধ!