১৬ এপ্রিল, ২০১৩

ঝলমলে চুল পেতে


সুন্দর চুল সবার ভালো লাগে। কিন্তু অযত্ন আর অবহেলায় চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়। হয়ে যায় প্রাণহীন ও রুক্ষ, যার প্রভাব পড়ে আপনার চেহারায়। নিজের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়া উচিত।

চুল ভালো রাখার প্রধান উপায় হলো_ চুল পরিষ্কার রাখা। কোনোভাবেই চুল ময়লাযুক্ত করে রাখা যাবে না। তা হলে চুল পড়া, খুশকিসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেবে। ঝলমলে চুল সবার ভালো লাগে। কিন্তু অযত্ন আর অবহেলায় চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়। হয়ে যায় প্রাণহীন ও রুক্ষ, যার প্রভাব পড়ে আপনার চেহারায়। নিজের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে নিয়মিত চুলের যত্ন নেয়া উচিত।

প্রতিদিন শ্যাম্পু করা নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে। কেউ কেউ ভাবেন, এতে চুল রুক্ষ হয়ে পড়ে। এটি ঠিক নয়। প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলে ময়লা জমতে পারবে না। ফলে চুল নিয়ে বেশিরভাগ সমস্যাই কমে যাবে। কিন্তু শ্যাম্পু করতে হবে সঠিক নিয়মে। প্রথমে শ্যাম্পু ছোট কোনো বাটিতে ঢেলে নিন। সঙ্গে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে নিন। এরপর তেল দেয়ার মতো করে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত লাগাতে হবে। ব্যস্ততা থাকলে পানিমিশ্রিত শ্যাম্পু পেছনের চুল থেকে সামনের চুলে লাগান। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, খুব সামান্য পরিমাণ শ্যাম্পুও যেন চুলে লেগে না থাকে।

এবার আসা যাক বাড়তি যত্নে। কন্ডিশনার চুলকে মসৃণ করে, তবে কখনো মাথার ত্বকে কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে চুলে খুশকি হয়। আর তৈলাক্ত চুলে সপ্তাহে দুদিন কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ও মিশ্র চুলে নিয়মিত লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। ভালোভাবে চুল মুছে নিন। এরপর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়াতে হবে। দিনে কয়েকবার চুল আঁচড়াতে উচিত। এতে রক্ত সঞ্চালন ঠিকভাবে হয়। মনে রাখতে হবে, কোনো অবস্থাতেই ভেজা চুল বাঁধা যাবে না। তাতে চুলে গন্ধ হবে এবং জট বাঁধবে।

এছাড়া চুলকে আকর্ষণীয় করতে চাইলে আরো পরিচর্যা করতে হবে। ১৫ দিন অন্তর হলেও তেল দেয়া প্রয়োজন। তেল সামান্য গরম করে চুলে মালিশের মতো করে লাগাতে হবে। এরপর গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে মাথায় চেপে রাখুন ১৫ মিনিট। ঘরে বসেই হয়ে গেল হেয়ার স্টিম নেয়া। আপনি চাইলে বিভিন্ন বিউটি পার্লারে গিয়ে হেয়ার স্পা করাতে পারেন মাসে একবার। এছাড়া বাড়িতেও লাগাতে পারেন নানা ধরনের চুলের প্যাক। মৌসুমি যে কোনো ফল কিংবা কলা, আপেল, পেঁপে, টক দই মিশিয়ে প্যাকল তৈরি করা যেতে পারে। তবে তৈলাক্ত চুলে কলা না দেয়াই ভালো। মেহেদি, রিঠা, আমলকীর প্যাক চুলে ব্যবহার করতে পারেন। খেয়াল রাখবেন, এসব প্যাক আপনার চুলে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া করছে কিনা। আগে বুঝে নিতে হবে চুলের ধরন। সে অনুযায়ী চুলের প্রসাধন ব্যবহার করবেন। আর রোদ ও ধুলো থেকে যত দূরে থাকা যায়, ততই ভালো। সম্ভব হলে তখন চুল ঢেকে রাখবেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন