২৩ নভেম্বর, ২০১৩

হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ হয় না


হুট করে একদিন হুমড়ি খেয়ে পড়লেন। কী ব্যাপার? না, হার্ট অ্যাটাক। অথচ শরীর-স্বাস্থ্য পুরোপুরি ফিট, গায়ে একরত্তি মেদ নেই, রক্তচাপ নেই, দুর্ভাবনা-দুশ্চিন্তা নেই তিল পরিমাণও। ভুলেও কখনও বুকে ব্যথা অনুভব করেননি। তবু আচমকা আক্রান্ত হলেন হার্ট অ্যাটাকে। এর কারণ কী?

নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, ব্যাপার কিছু না। আসল কথা হলো, হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাক আগে থেকে বলেকয়ে আসবে, এমনটা ভাবাই ভুল। তবে আক্রান্ত হওয়ার মাসখানেক আগে থেকে কিছুটা হুঁশিয়ারি সংকেত আপনি পেতেও পারেন। কখনও কখনও মাসখানেক না হলেও, মাত্র এক ঘণ্টা আগে হলেও আপনাকে হুঁশিয়ারি দেবে।

হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ৫টি লক্ষণ তুলে ধরা হলো:
  1. বুকে অস্বস্তি বা ব্যথা: বুক ব্যথা বা ধড়ফড় করা, অস্বস্তি কিংবা প্রচণ্ড চাপ বোধ হওয়া হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম উপসর্গ। একটানা কয়েক মিনিট এ ধরনের অনুভূতি হওয়া বা কিছুক্ষণ পরপর তা অনুভূত হতে পারে।
  2. শরীরের ওপরের অংশে অস্বস্তি: এক বা দুই হাত, পিঠ, ঘাড়, চোয়াল বা পাকস্থলীতে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। 
  3. অবসাদগ্রস্ততা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা: স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হতে পারে। শরীর অবসাদে ভেঙে পড়তে পারে। বুকের মধ্যে অস্বস্তি বোধ হোক বা না হোক, শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিক হলে সতর্ক হতে হবে।
  4. অতিরিক্ত ঘাম হওয়া: ব্যায়াম বা পরিশ্রম ছাড়াই অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।
  5. অন্য উপসর্গ: বদহজম, অরুচি, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া ও মাথা হালকা বোধ হতে পারে।
তাই সামান্যতম লক্ষণ টের পেলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটাই সবচেয়ে ভালো প্রতিরোধ, যা আপনাকে অচিরেই দুনিয়া ত্যাগ করা থেকে আরও কিছু সময় রক্ষা করবে। গবেষণা কর্মটির প্রধান পরিচালক যুক্তরাষ্ট্রের সিডার্স-সিনাই হার্ট ইনস্টিটিউটের ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট ড. ইলই মারিজন বলেন, 'হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আগেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হয়। শেষ মুহূর্তে সচেতন হলেও খুব একটা লাভ হয় না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন